1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়ালমারীতে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত আইন হাতে তুলে নেবেন না, মাদক কারবারিদের পুলিশের হাতে তুলে দিন: ফরিদপুরের পুলিশ সুপার বোয়ালমারীতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠছে বোয়ালমারী; ৪৮ দলের ব্যতিক্রমী টুর্নামেন্ট বোয়ালমারীতে রহস্যজনক মৃত্যু: পাটখেতে মিলল যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ বোয়ালমারীতে ‘কবি সখিনা হোসেন: জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত বন বিভাগের দুর্নীতি ঢাকতেই বিএনপিকে প্রশ্নবিদ্ধের অপচেষ্টা: সংবাদ সম্মেলনে এ্যাড. সিরাজ বোয়ালমারীতে ‘মাদক সম্রাট’ দ্বীন ইসলাম গাঁজা, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার বোয়ালমারীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা বোয়ালমারীতে প্রতিবেশীর জামাই বাড়িতে মোটরসাইকেল নিতে এসে পরিকল্পিত হত্যার শিকার যুবক, আটক ৪

বোয়ালমারী প্রানী সম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০
  • ৪৫৬ জন পঠিত

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারায়ন চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে  অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের অর্থায়নে ‘আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পে খামারীদের প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন করে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর। মোট ১শ জন খামারী ওই প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। করোনার আগে ২৫ জন করে ৫০ জন তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। বাকিদের প্রশিক্ষণ জুনে হওয়ার কথা থাকলেও করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে বিলম্বিত হয়। অবশেষে ২৫ জন করে দুই ব্যাচে ২০ জুলাই থেকে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অনিয়মের সঙ্গে উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারায়ন চন্দ্র সরকারের যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষণে ১শ জন খামারীর অংশগ্রহণ করার কথা থাকলেও যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদের অধিকাংশেরই খামার নেই। তারা বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এমন কিছু খামারীর নাম অন্তর্ভুক্ত আছে যারা প্রশিক্ষণের ব্যাপারে কিছুই জানেন না। প্রশিক্ষণ তিন দিনব্যাপী হওয়ার কথা থাকলেও শেষ ব্যাচের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দুই দিনব্যাপী হয়েছে। এছাড়া প্রশিক্ষণ ভাতা বাবদ প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে মোট ৭শ ৫০ টাকা দেয়ার কথা থাকলেও প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে ৫শ টাকা করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বাহিরভাগ গ্রামের মো. আসগার বলেন, আমার কোন খামার নাই। আমি পাটের ব্যবসা করি। আমি প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে একটি প্রশিক্ষণে অংশ নেই। প্রশিক্ষণ থেকে ৫শ টাকা দিয়েছে। পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড লোকনাথ গ্রামের মো. কবিরের নাম প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকলেও তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেননি। কোন প্রশিক্ষণ ভাতাও নেননি। অথচ প্রশিক্ষণার্থী দেখিয়ে তার প্রশিক্ষণ ভাতার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী পৌরসভার একই ওয়ার্ডের হায়াতুল বলেন, আমার কোন খামার নাই, গেরস্থ হিসেবে কিছু গরু আছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে তিন দিনের প্রশিক্ষণের কথা থাকলেও আমাদের নামে মাত্র দুই দিনের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তিন দিনের প্রশিক্ষণ ভাতা বাবদ ৯শ টাকা দেয়ার কথা থাকলেও ৫শ টাকা দিয়েছে।

অনিয়মের ব্যাপারে বোয়ালমারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারায়ন চন্দ্র সরকারের মতামত জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমার ডিডি তার লিখিত অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে এবং তথ্য দিতে নিষেধ করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আমি জানি। তবে অনিয়মের বিষয়ে আমার জানা নেই

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!