বোয়ালমারী প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে খাল খননের সময় সামাজিক বনায়নের গাছ কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত কিছু নেতা দলের দায়িত্বশীল নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং বিএনপিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে গাছ চুরির অপবাদ দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও গুনবহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
গতকাল উপজেলা সভাপতির নিজস্ব কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, সামাজিক বনায়নের গাছ কাটার সঙ্গে বিএনপি বা দলের কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই। বরং বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সামাজিক বনায়ন বাস্তবায়ন সমিতির কয়েকজন সদস্য এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি অভিযোগ করেন, সমিতির সভাপতিসহ জামায়াতপন্থি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ নির্বাচন করেছে। চক্রটি থানা, অফিস আদালতে দালালি করে বেড়ায়, তারা সাধারণ মানুষকে মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত।গাছ কাটার বিষয়ে প্রশাসনকে চাপসৃষ্টি করে তাদের নানা অপকর্ম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে বিএনপির ও আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের হীনপন্থা অবলম্বন করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের কাজকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃত দোষীদের আড়াল করে বিএনপির নেতাদের জড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এর সাথে জড়িত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তাদের দূর্নীতি, দায়িত্বহীনতা ও সম্পৃক্ততা আড়াল করতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার সম্পৃক্ততার কথা বলেছে যা ডাহা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রনীত। ওই বন কর্মকর্তা তার বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তার বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবো।
এ ছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল কুদ্দুস শেখ, সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসাইন, সহসভাপতি খান আতাউর রহমান, মিজানুর রহমান, রবিউল ইসলাম সম্রাট প্রমুখ।
Leave a Reply