1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হারানো ঐতিহ্যের টানে বারাশিয়া নদীতে ভেলা-চাড়ি বাইচ, নদীর দুই পাড়ে উৎসবের আমেজ ময়না এসি বোস ইনস্টিটিউশনের এডহক কমিটির সভাপতি ইমরান হোসাইনকে সংবর্ধনা বোয়ালমারীতে ছাত্রদলের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক বৃক্ষরোপণ ইমামতির পর কফির ফ্লাস্ক হাতে পথে পথে হাবিবুল্লাহ, হালাল রোজগারের অনন্য দৃষ্টান্ত বোয়ালমারীতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯ জন গ্রেপ্তার বোয়ালমারীতে শেখর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে হেলেন জেরিন খান এমপিকে গণসংবর্ধনা বিশ্বকাপের আদলে বোয়ালমারীর ৪৮ দলীয় মিনি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন বার্তা স্পোর্টিং ক্লাব পুকুর পাহারায় বিদ্যুতায়িত জিআই তারে জড়িয়ে ভ্যান চালক নিহত বোয়ালমারীতে বাড়ির উঠানে গাঁজা চাষ , অভিযুক্ত পলাতক

চারপাশে শুধু ভাঙনের সুর

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৩২ জন পঠিত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  ধরলা সৌউগ কিছু ভাঙ্গি নিয়্যা যাবার নাগছে। একে একে মেলাগুল্যা বাড়ি ভাঙ্গি নিয়্যা গেইল। বস্তা ফেলেও অক্ষা হবার নাগছে না। আগত মোর বাপের বাড়ি ভাঙ্গিল এলা স্বামীর বাড়িও ভাঙ্গার মুকোত।’ দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে কথাগুলো বলছিলেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ধরলা নদীর তীরবর্তী নন্দ দুলালের ভিটা জগমনের চর এলাকার গৃহবধূ কুলুকভান (৪৮)।

সামনেই বসেছিলেন ধরলার ভাঙনে সর্বস্ব হারানো কুলুকভানের বাবা সত্তরোর্ধ্ব করিমুদ্দি। করিমুদ্দির বাড়ি একই গ্রামের পশ্চিমে ধরলার অববাহিকার চরে। করিমুদ্দির দুই মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে কুলজন মারা যাওয়ায় বড় মেয়ে কুলুকভানই বৃদ্ধ বাবা-মায়ের একমাত্র ভরসা ও আশ্রয়স্থল। চতুর্থ দফা বন্যায় করিমুদ্দির বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় কুলুকভান বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে আসেন স্বামীর বাড়িতে। কিন্তু সর্বগ্রাসী ধরলার ভাঙনে এখন স্বামীর বাড়িও ভাঙনের মুখে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে জেলা সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের নন্দ দুলালের ভিটা জগমনের চর বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে নদীভাঙনের এমন চিত্রই দেখা যায়।

জানা যায়, উজানের ঢল ও অবিরাম বৃষ্টিতে ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে তীব্র স্রোতে করিমুদ্দির বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সময় তার মেয়ে কুলুকভান বাবা ও মাকে নিয়ে আসেন স্বামীর বাড়িতে। এখন ধরলার পানি কমে গিয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও অন্যান্য বাড়ির মতোই কুলুকভানের স্বামীর বাড়িও রয়েছে ধরলার ভাঙনের হুমকিতে। এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

কুলুকভানের বাবা-মায়ের মতো ওই এলাকার অনেকেই নদীগর্ভে হারিয়েছেন স্বর্বস্ব। এমনই তিনজন রহিমা, মো. দারো ও ময়না। তারা বলেন, আমরা একাধিকবার নদীগর্ভে ভিটেমাটি হারিয়েছি। কেউ তিনবার, কেউ পাঁচবার, কেউবা সাত বারও বসতভিটা হারিয়ে আজ নিঃস্ব। আমরা প্রতিবছর নদীভাঙনের শিকার হই। আমরা সরকারের কাছে কিছুই চাই না। শুধু চাই নদিভাঙন রোধ হোক।

ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান জানান, ধরলার ভাঙনে ৭৯টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় অবশিষ্ট পরিবারগুলো ভাঙনের কবলে রয়েছে। ভাঙনে বিলীন হয়েছে জগমনের চর এলাকার নন্দ দুলালের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও। জিওব্যাগ ফেলেও ভাঙন রক্ষা সম্ভব হচ্ছে না।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোতে জিওব্যাগ ফেলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। পাইলিং দেয়া হচ্ছে এবং বন্যা পরবর্তী নদীর তীর সংরক্ষণ করা হবে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার জানান, নদীভাঙনের শিকার পরিবারগুলোর তালিকা সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে। এখনও বরাদ্দ আসেনি। বরাদ্দ এলে তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে বিতরণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!