1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্কুলে যাওয়ার পথে তৃতীয় শ্রেণীর শিশুকে ধর্ষণ, যুবকের মৃত্যুদণ্ড আলফাডাঙ্গায় ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া বোয়ালমারীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ আলফাডাঙ্গায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বিএনপি ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষকমাত্র ৩ জন; ১২ পদের ৯টিই শূন্য বোয়ালমারী জর্জ একাডেমিতে সহস্রাধিক অভিভাবক নিয়ে সমাবেশ ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা হারানো ঐতিহ্যের টানে বারাশিয়া নদীতে ভেলা-চাড়ি বাইচ, নদীর দুই পাড়ে উৎসবের আমেজ ময়না এসি বোস ইনস্টিটিউশনের এডহক কমিটির সভাপতি ইমরান হোসাইনকে সংবর্ধনা বোয়ালমারীতে ছাত্রদলের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক বৃক্ষরোপণ ইমামতির পর কফির ফ্লাস্ক হাতে পথে পথে হাবিবুল্লাহ, হালাল রোজগারের অনন্য দৃষ্টান্ত

সোমবারের ৫২ টাকার পেঁয়াজ মঙ্গলবারে ৭২!

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৩৭ জন পঠিত

নিজেস্ব প্রতিনিধি : আড়তভরা পেঁয়াজ। সোমবার ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ কেজিতে পাইকারি ৫২ টাকা দরে বিক্রি হয়। রাতে ভারতের রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার আসার পরই দাম বাড়তে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির। সকাল হতে না হতেই কেজিতে দাম ২০ টাকা বেড়ে ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর শ্যামবাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। শুধু দেশি পেঁয়াজ নয় একই অবস্থা ভারতের পেঁয়াজেরও। হঠাৎ করে পাইকারি বাজারে এমন দামবৃদ্ধি নিয়ে ক্ষুব্ধ খুচরা ব্যবসায়ীরা৷

গত বছরের মত এবারও হঠাৎ করে অনির্দিষ্টকালের জন্য পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম এমনিতেই বাড়তির দিকে ছিল। কেজিপ্রতি খুচরা ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। ভারতের পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। এর মধ্যে হঠাৎ ভারতের রপ্তানি বন্ধের খবরে অসাধু ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ নেই এমন অজুহাত দিয়ে বেশি দামে বিক্রি শুরু করেছেন।

অনেকে সোমবার ভারত রপ্তানি বন্ধ করতে পারে এমন খবর শুনেই বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেন।

বেলা ১১টার দিকে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে শ্যামবাজার থেকে পেঁয়াজ নিয়ে আসা খুচরা ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে বাজারের এমন চিত্রের কথা জানা যায়। তাদের কাছে সংরক্ষিত রশিদেও বাড়তি দামের প্রমাণ পাওয়া যায়।

শ্যামবাজার থেকে পেঁয়াজ কিনে নাজিরা বাজারে বিক্রি করেন আব্দুল খালেক। ক্ষুব্ধকণ্ঠে ঢাকাটাইমসকে বলেন, কালকে (সোমবার) সব থেকে ভালো পেঁয়াজ ৫২ টাকায় কিনে ৬০ টাকা বিক্রি করেছি। আজকে সব আড়তে ৭২ টাকা। খরচসহ প্রায় ৮০ টাকা পড়বে কেজি। বিক্রি করতে হবে ৯০ টাকা। এতে তো মানুষের সঙ্গে মারামারি হবে!’

এই খুচরা বিক্রেতা বলেন, প্রতিদিনের মত আজকেও তিন বস্তা পেঁয়াজ কিনেছি। সকালে দুই বস্তা কিনেছি ৬৫ টাকা করে। পরে আরেক বস্তা কিনলাম ৭২ টাকা কেজি দরে। মাঝে সময় দুই ঘণ্টাও গ্যাপ হয়নি’।

এ সময় পাশে আরেক রিকশায় পেঁয়াজের বস্তার উপরে বসা একজন ব্যবসায়ী পেঁয়াজ কেনার রশিদ দেখান প্রতিবেদককে। তিনিও ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, সব আড়তে পেঁয়াজ ভরা। আর এরা কয় (বলে) পেঁয়াজ নাই। তাই দাম একটু বেশি। কেউ কি দেখার নাই?’

সরকারের কঠোর মনিটরিং আর অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম ঠেকাতে পারলে হঠাৎ করে অদ্ভুত অজুহাত দেখিয়ে বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করেন এই খুচরা ব্যবসায়ীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!