1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়ালমারী জর্জ একাডেমিতে সহস্রাধিক অভিভাবক নিয়ে সমাবেশ ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা হারানো ঐতিহ্যের টানে বারাশিয়া নদীতে ভেলা-চাড়ি বাইচ, নদীর দুই পাড়ে উৎসবের আমেজ ময়না এসি বোস ইনস্টিটিউশনের এডহক কমিটির সভাপতি ইমরান হোসাইনকে সংবর্ধনা বোয়ালমারীতে ছাত্রদলের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক বৃক্ষরোপণ ইমামতির পর কফির ফ্লাস্ক হাতে পথে পথে হাবিবুল্লাহ, হালাল রোজগারের অনন্য দৃষ্টান্ত বোয়ালমারীতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯ জন গ্রেপ্তার বোয়ালমারীতে শেখর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে হেলেন জেরিন খান এমপিকে গণসংবর্ধনা বিশ্বকাপের আদলে বোয়ালমারীর ৪৮ দলীয় মিনি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন বার্তা স্পোর্টিং ক্লাব পুকুর পাহারায় বিদ্যুতায়িত জিআই তারে জড়িয়ে ভ্যান চালক নিহত

ডক সাহেব : এক জীবন্ত কিংবদন্তী

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ৭২৩ জন পঠিত

গাজী শাহিদুজ্জামান

ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলা, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা, নড়াইল জেলার সদর ও লোহাগাড়া উপজেলার মানুষ “ডক” সাহেবকে এক ডাকে চেনেন। সম্মান করেন। ডাকেন “স্যার” বলে। ব্যতিক্রমী এক মানুষ এই ডক সাহেব। সমাজসেবক, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী। আর ভক্তদের চোখে তিনি একজন আধ্যাত্মিক সাধক৷

রেলের কোনো কর্মী না হয়েও আশির দশকের আগ থেকে খেয়াল হলেই তিনি কালুখালি–ভাটিয়াপাড়া রেলপথের যাত্রীদের টিকেট চেক করতেন টিটিইদের সাথে। বিনা টিকেটের যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করে তাদের রশিদ দিতে বলতেন টিকিট পরীক্ষকদের। কোন টাকা আত্মসাতের সুযোগ ছিল না। নিজের কাছে যে দিন টিকেট কাটার পয়সা থাকতো না, সে দিন রেলের কর্তা ব্যক্তিদের অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি ট্রেনে উঠতেন না। রেলের তেল চুরি প্রতিরোধে তিনি ভূমিকা রাখতেন।

২০০০ সালে প্রথম তাঁর সাথে দেখা করি। এরপর একাধিকবার তাঁর সাথে দেখা হয়, কথা হয়। তাঁর প্রকৃত নাম আব্দুল খালেক মুন্সী। পিতার নাম মুন্সী নুরুল হক, মায়ের নাম রহিমা বেগম। গ্রামের বাড়ি বর্তমান ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার ইছাপাশা গ্রামে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। নিজেকে তিনি DOCK সাহেব নামে পরিচয় দেন। তার কাছ থেকে জেনেছি এর পূর্ণাঙ্গ রূপ – Demonstrator Of the Central Kingdom.

সমাজ ও মানুষের জন্য কিছু করতে তিনি সব সময় উন্মুখ হয়ে থাকেন। একাধিক দিন তাঁকে দেখেছি রাস্তা অথবা নর্দমা পরিষ্কার করতে৷ গরীব মানুষকে তিনি করুণা করে অপমান করতে চান না। তাই তিনি দান না করে বিক্রয় করেন। তিনি ব্যবসায়ী। তবে সব সময় তিনি লোকসান দেন। আমাদের সামনেই একটি লুঙ্গি কিনলেন এবং একজন দরিদ্র মানুষের কাছে তা কেনামূল্যের অর্ধেক টাকায় বিক্রি করে দিলেন।

১৯৭২ সালে তিনি নিজস্ব জায়গায় আব্দুল খালেক বালিকা বিদ্যালয় গড়ে তোলেন। সরকারি অনুদান ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে পাঁচ বছরের মাথায় স্কুলটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৭৩ সালে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্ধারিত বাজেটের সাথে নিজের টাকা যোগ করে একটি রাস্তা করলেও সরকারি নিয়মানুযায়ী মাস্টার-রোল না রাখায় তাঁকে কিছুদিন হাজতবাসও করতে হয়।

প্রায় নব্বই বছর বয়সী ডক সাহেব বর্তমানে ইছাপাশায় তাঁর বাড়িতেই বসবাস করছেন। তবে তাঁর ভক্তরা সবসময় তাঁর খোঁজ-খবর রাখেন এবং তাঁর বাড়িও সরগরম করে রাখেন। তাঁর আরো অনেক কীর্তির গল্প ভক্তদের মুখে মুখে ফেরে।

তাকে নিয়ে ২০০৬ সালের ৬ মে তারিখে “ডক সাহেব : এক জীবন্ত কিংবদন্তী” নামে প্রতিবেদন লেখি ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে প্রকাশিত “সাপ্তাহিক আল হেলাল” পত্রিকায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!