1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মায়ের চোখের সামনেই প্রাণ গেল ১১ বছরের বায়েজিদের, জিয়াফত খেতে যাওয়া হলো না দাদাবাড়ি টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের দুটি ঘর ভেঙে বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বোয়ালমারীতে পাঁচ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে মামলা আলফাডাঙ্গায় ৭৫ জন কুরআন প্রতিযোগিকে সন্মাননা দিলেন মুন্সি বিল্লাল অটিজম ও ডাউন সিনড্রোমে চিকিৎসা উদ্ভাবন করে সাড়া ফেলেছেন মানবিক চিকিৎসক ডা. আবু মুছা খান বোয়ালমারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, তিন খাবার হোটেলকে জরিমানা নবজাতককে কোলে নিয়ে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা পাচারের সময় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার বোয়ালমারীতে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে মণ্ডপে মণ্ডপে হেলেন জেরিন খান ও খন্দকার নাসিরুল ইসলাম স্কুলে যাওয়ার পথে তৃতীয় শ্রেণীর শিশুকে ধর্ষণ, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের দুটি ঘর ভেঙে বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৯ জন পঠিত

বোয়ালমারী  প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কোনো ধরনের নিলাম বা টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি সেমিপাকা ঘর ভেঙে মালামাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলার টিটা পানাইল চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইনামুল হক খানের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির দুটি সেমিপাকা টিনশেড ঘরের সম্পূর্ণ মালামাল কোনো রকম সরকারি নিয়ম, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বা মূল্য নির্ধারণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ঘর দুটির মূল্যবান টিন ও ইটসহ বিভিন্ন মালামাল নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইনামুল হক খান। গত এক সপ্তাহ ধরে ক্রেতারা এসব মালামাল ভেঙে নিজ দায়িত্বে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে এই ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। সেখানে দেখা যায়, দুটি সেমিপাকা টিনশেড ঘরের মধ্যে একটির সমস্ত কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং এর ইটগুলো নসিমনে করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অপর ঘরটির টিনের চালা ও বেড়া ইতিমধ্যে খুলে নেওয়া হয়েছে।

এ সময় ইট ভাঙার কাজে নিয়োজিত শিকড়পুর গ্রামের হরেকৃষ্ণ মণ্ডল জানান, তিনি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইনামুল হক খানের কাছ থেকে মাত্র ১৫ হাজার টাকায় ঘর দুটির ইট কিনে নিয়েছেন। গত তিন দিন ধরে তিনি এসব ইট ভেঙে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মুসলিমা বেগম সম্পূর্ণ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না।’

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইনামুল হক খান প্রথমে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ঘরগুলো টেন্ডার দেওয়ার ইচ্ছা ছিল কিন্তু পরবর্তীতে আর টেন্ডার দেওয়া হয়নি। ঘরের টিনগুলো ভাঙারির কাছে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। বিক্রির সেই টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ে সুপারি গাছ লাগিয়েছি।’

এই ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সরওয়ার হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তবে এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!