বোয়ালমারী প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন ধর্ষণ মামলার এক আসামি, দুই মাদক মামলার আসামি, দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি এবং তিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
বোয়ালমারী থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুণবহা ইউনিয়নের আখালীপাড়া গ্রামের মতিয়ার শেখের ছেলে মুকুল শেখ (৩৫)-এর বিরুদ্ধে গত ২৩
জুন বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে থাকা ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে পুঁইশাক ও সবজি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি পাটখেতে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় এক নারী শিশুটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।পরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে ২৪ জুন শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বোয়ালমারী থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকে অভিযুক্ত আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন অভিযান চালিয়েও তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজবাড়ী জেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ভুক্তভোগীর মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।”
এ ছাড়া উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের কোন্দারদিয়া এলাকা থেকে ১৫টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রাজু ফকির ও শান্ত মালোকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । অপর এক অভিযানে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি দক্ষিণ কামারগ্রামের জিয়াউল হক মোল্যা এবং ছয় মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কাদিরদী গ্রামের মো. জসিম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন মামলার আরও তিনজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে আটক করা হয়েছে।
ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বিভিন্ন অভিযানে মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকালে ফরিদপুরের বিজ্ঞ বিচারিক আদালতের মাধ্যমে জেল হজতে পাঠানো হয়েছে ।
Leave a Reply