1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়ালমারীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা বোয়ালমারীতে প্রতিবেশীর জামাই বাড়িতে মোটরসাইকেল নিতে এসে পরিকল্পিত হত্যার শিকার যুবক, আটক ৪ বোয়ালমারীতে চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, লুটপাট, কিশোরী মেয়েকে অপহরণের হুমকি জ্বালানি সংকটে বন্ধের পথে অটো ব্রিকস, বিপাকে ৩ শতাধিক শ্রমিক বোয়ালমারী পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার (সচিব) অনিয়ম, দূর্নীতি ও দুর্ব্যবহারে প্রতিবাদে ইমামদের সংবাদ সম্মেলন সুবিধাবঞ্চিতদের দ্বারেদ্বারে ঈদ উপহার পৌঁছে দিচ্ছেন মানবিক যোদ্ধা সুমন রাফি বোয়ালমারীতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে ক্যাবের র‍্যালী ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠি আলফাডাঙ্গায় ক্যাবের কমিটি গঠন!সভাপতি সেকেন্দার শেখ, সম্পাদক আবুল বাশার আপনারা ফেল করেছেন,আপনারা ফ্যাসিস্টদের পূর্নবাসন করেছেন : খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বোয়ালমারীতে সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার মাহফিল

বোয়ালমারীতে কিস্তি উত্তোলন নিয়ে হাতাহাতি, ১জন গ্রেফতার

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০
  • ১১৮৩ জন পঠিত

 ফরিদপুর প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে  ঋণের কিস্তি উত্তোলনের সময় বাধা দেওয়ায় বাকবিতন্ডা-হাতাহাতির জের ধরে সাজানো মামলা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ৮ জুন বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত উপজেলা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর মাঠ কর্মী পলাশ   কুমার সাহা বাদি হয়ে কিস্তি উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় সুদীপ কুমার ও উত্তম কুমার দাশসহ অজ্ঞাত ৪/৫ এর নামে বোয়ালমারী থানায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি সাজানো মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, এসএফডিএফ এর মাঠকর্মী পলাশ কুমার সাহা করোনাকালীন সাধারণ ছুটি শেষ হলেই, এ মাসের শুরু থেকেই পৌরসভার কলারণ গ্রামের ঋণ গ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তার জোরাজুরিতে বেশ কয়েকজন ঋণ গ্রহীতা কিস্তি দিতে বাধ্য হয়। করোনায় উদ্ভূত পরিস্থিতির কারনে চা বিক্রেতা অশোক কুমার দাসের স্ত্রী অনিতা রানী বাড়ী না থাকায় কিস্তি পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করে পরিবারের সদস্যরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের প্রতি রূঢ় আচরণ ও গালিগালাজ করে ওই মাঠকর্মী। এ সময় অনিতা রানীর ভাড়াটিয়া সুদীপ কুমার দাশ গৃহকর্ত্রীর পক্ষ নিয়ে মাঠকর্মীর সাথে কথা বলতে গেলে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন সে, যা হাতাহাতির পর্যায় পৌঁছে যায়। এসময় পলাশ কুমার সাহা তার দায়িত্বশীল শাখা ব্যবস্থাপক হাসানুর রহমান নয়নকে ফোন করে ঘটনাস্থলে ডেকে নেন। ওই ব্যবস্থাপক পৌঁছালেই মাঠকর্মী পলাশ সাহা সুদীপকে লক্ষ্য করে বাঁশের লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে। এসময় সুদীপ দাশ অনিতা রানীর ঘরে আশ্রয় নিলে ঘরের দরজা লাথি দিয়ে দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা চালায় ওই দুই কর্মকর্তা। তাদের শোরচিৎকারে প্রতিবেশি উত্তম কুমার দাশ এগিয়ে এসে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তার সাথেও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে তারা। এতে সংস্থাটির শাখা ব্যবস্থাপক হাসানুর রহমান নয়ন ও পলাশ সাহা সামান্য আঘাত প্রাপ্ত হন। ঘটনার পরপর তারা কয়েকজন ঋণ গ্রহিতাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের নিকট থেকে একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেন বলে জানান অনিতা রানী।

ওইদিনই বোয়ালমারী থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন পলাশ সাহা। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে কলারণ গ্রামে করোনাকালীন ঋণ গ্রহিতাদের খোঁজ খবর নিতে গেলে সুদীপ কুমার দাশ ও উত্তম দাশ অকারণে তাদের উপর বাটাম ও বাঁশের লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। এতে সে নীলাফোলা ও রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হন। এজাহারে রক্তাক্ত জখম প্রাপ্তের কথা উল্লেখ করা হলেও বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাঊম জানান- “যতদূর মনে পড়ে খুব সামান্য আঘাত ছিল। সম্ভাবত মুখে চড়থাপ্পর ও নখের আচড় ছিল। বড় ধরনের কোন ইনজুরি হয়নি।”

গত ১০ জুন অভিযোগ আমলে নিয়ে মামলা নথিভূক্ত করে সুদীপ দাশকে প্রেফতার করে বোয়ালমারী থানা পুলিশ। এ ব্যপারে মুঠোফোনে পলাশ সাহা ও হাসানুর রহমানের নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে, কিস্তি উত্তোলনের বিষয় অস্বীকার করেন তারা এবং করোনাকালিন গ্রহিতাদের খোঁজখবর নিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন হাসানুর রহমান নয়ন। মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্যারের সাথে কথা বলুন।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, ‘এসএফডিএফ’ এর দু’জন কর্মকর্তা আমার নিকট অভিযোগ দিতে এসেছিল, সরকারি কাজে বাধা দানের কথা বলেছে তারা, আমি তাদের আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি। তবে কিস্তি উত্তোলনের ব্যাপারটা আমার জানা নেই।”

উল্লেখ, বর্তমানে করোনা ভাইরাসজনিত কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহিতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বাধাগ্রস্থ হওয়ায় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি বিধিমালা ২০১০ এর বিধি ৪৪ অনুসরণে গত ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সব ধরনের ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন সরকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!