1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়ালমারীতে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত আইন হাতে তুলে নেবেন না, মাদক কারবারিদের পুলিশের হাতে তুলে দিন: ফরিদপুরের পুলিশ সুপার বোয়ালমারীতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠছে বোয়ালমারী; ৪৮ দলের ব্যতিক্রমী টুর্নামেন্ট বোয়ালমারীতে রহস্যজনক মৃত্যু: পাটখেতে মিলল যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ বোয়ালমারীতে ‘কবি সখিনা হোসেন: জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত বন বিভাগের দুর্নীতি ঢাকতেই বিএনপিকে প্রশ্নবিদ্ধের অপচেষ্টা: সংবাদ সম্মেলনে এ্যাড. সিরাজ বোয়ালমারীতে ‘মাদক সম্রাট’ দ্বীন ইসলাম গাঁজা, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার বোয়ালমারীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা বোয়ালমারীতে প্রতিবেশীর জামাই বাড়িতে মোটরসাইকেল নিতে এসে পরিকল্পিত হত্যার শিকার যুবক, আটক ৪

একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার চিঠি

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ৭০০ জন পঠিত

                                                আমীর চারু বাবলু

ফরিদপুর জেলার সর্বোকনিষ্ঠ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। নাম তাঁর রিজাউল হক মৃধা।পরিবারেরও সর্বোকনিষ্ঠ সন্তান।মা তাকে ডাকতেন রিজা বলে। খুবই শান্তশিষ্ট, ভদ্র আর বড় তিন ভাইয়ের খুবই আদরের ছিল রিজাউল। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই ভাইদের সাথে পাড়ি দিয়েছিল ভারত। দেশকে প্রচণ্ড ভালোবাসার থেকে আপন ৩ ভাইয়ের সাথে সে ও নানা বিপত্তি কাটিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে গিয়েছিল।

১৯৭১ সাল। রিজাউলের মেঝো ভাই ঢাকায় চাকরীস্থলে, বড়ভাই চট্টগ্রাম।

রিজাউল মৃধা তখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। কতই বা বয়স ছিল তার। সেই বয়সেই সে দেশের উত্তাপ টের পেয়েছিল। মেঝো ভাইকে লেখা ১৬/০৩/১৯৭১ খ্রীঃ একটা চিঠিতে সে কথা পাওয়া গেল। একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার লেখা চিঠি হাতে পেয়ে আমি কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। সে কথা পরে বলব-

রিজাউল ভারতের চাকুলিয়ায় ট্রেনিং শেষ করে যোগ দিয়েছিল ৮ নম্বর সেক্টরের নিজ জন্মভূমি বোয়ালমারীর মুক্তিযোদ্ধাদের দলে। পাকিস্তানি বাহিনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপারেশনে অংশ নিয়েছিল সে।৭ ডিসেম্বর যুদ্ধে শহীদ হয়েছিল রিজাউল।

ফরিদপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন ছিল সেটি। ভুল তথ্য পেয়ে দুইদল মুক্তিযোদ্ধা লিপ্ত হয়েছিল যুদ্ধে। বোয়ালমারীর মুক্তিবাহিনী প্রধান জলিল বিশ্বাষের নেতৃত্বে তেলজুড়িতে একটি অপারেশনে গিয়েছিল ৮জন মুক্তিযোদ্ধা। সে সময় ভারত থেকে নিজ দল নিয়ে বোয়ালমারী হয়ে মাদারিপুর যাচ্ছিল নৌপরিবহন মুন্ত্রী শাজাহান খান। তাকে ভুল তথ্য দেওয়া হলে মুক্তিযোদ্ধাদের দুটি দল মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। জলিল বিশ্বাস, রিজাউলসহ সে যুদ্ধে শহীদ হন ৪ জন।

শহীদ রিজাউলের কবর দেখতে গিয়েছিলাম, গিয়েছিলাম যেখানে সে শহীদ হয়েছে সেই বাড়ীতেও। মুক্তিযুদ্ধের নানা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছি তবে আমার নিকট সবচেয়ে মূল্যবান এই চিঠিটি।

রিজাউলদের স্বপ্নের মৃত্যু নেই। সে লিখেছিল-
‘বাংলার জয় অবশ্যম্ভাবী, বাংলার জয় হবেই। জয় বাংলা।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!