1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়ালমারী জর্জ একাডেমিতে সহস্রাধিক অভিভাবক নিয়ে সমাবেশ ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা হারানো ঐতিহ্যের টানে বারাশিয়া নদীতে ভেলা-চাড়ি বাইচ, নদীর দুই পাড়ে উৎসবের আমেজ ময়না এসি বোস ইনস্টিটিউশনের এডহক কমিটির সভাপতি ইমরান হোসাইনকে সংবর্ধনা বোয়ালমারীতে ছাত্রদলের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক বৃক্ষরোপণ ইমামতির পর কফির ফ্লাস্ক হাতে পথে পথে হাবিবুল্লাহ, হালাল রোজগারের অনন্য দৃষ্টান্ত বোয়ালমারীতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯ জন গ্রেপ্তার বোয়ালমারীতে শেখর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে হেলেন জেরিন খান এমপিকে গণসংবর্ধনা বিশ্বকাপের আদলে বোয়ালমারীর ৪৮ দলীয় মিনি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন বার্তা স্পোর্টিং ক্লাব পুকুর পাহারায় বিদ্যুতায়িত জিআই তারে জড়িয়ে ভ্যান চালক নিহত

একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার চিঠি

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ৭৪৪ জন পঠিত

                                                আমীর চারু বাবলু

ফরিদপুর জেলার সর্বোকনিষ্ঠ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। নাম তাঁর রিজাউল হক মৃধা।পরিবারেরও সর্বোকনিষ্ঠ সন্তান।মা তাকে ডাকতেন রিজা বলে। খুবই শান্তশিষ্ট, ভদ্র আর বড় তিন ভাইয়ের খুবই আদরের ছিল রিজাউল। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই ভাইদের সাথে পাড়ি দিয়েছিল ভারত। দেশকে প্রচণ্ড ভালোবাসার থেকে আপন ৩ ভাইয়ের সাথে সে ও নানা বিপত্তি কাটিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে গিয়েছিল।

১৯৭১ সাল। রিজাউলের মেঝো ভাই ঢাকায় চাকরীস্থলে, বড়ভাই চট্টগ্রাম।

রিজাউল মৃধা তখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। কতই বা বয়স ছিল তার। সেই বয়সেই সে দেশের উত্তাপ টের পেয়েছিল। মেঝো ভাইকে লেখা ১৬/০৩/১৯৭১ খ্রীঃ একটা চিঠিতে সে কথা পাওয়া গেল। একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার লেখা চিঠি হাতে পেয়ে আমি কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। সে কথা পরে বলব-

রিজাউল ভারতের চাকুলিয়ায় ট্রেনিং শেষ করে যোগ দিয়েছিল ৮ নম্বর সেক্টরের নিজ জন্মভূমি বোয়ালমারীর মুক্তিযোদ্ধাদের দলে। পাকিস্তানি বাহিনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপারেশনে অংশ নিয়েছিল সে।৭ ডিসেম্বর যুদ্ধে শহীদ হয়েছিল রিজাউল।

ফরিদপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন ছিল সেটি। ভুল তথ্য পেয়ে দুইদল মুক্তিযোদ্ধা লিপ্ত হয়েছিল যুদ্ধে। বোয়ালমারীর মুক্তিবাহিনী প্রধান জলিল বিশ্বাষের নেতৃত্বে তেলজুড়িতে একটি অপারেশনে গিয়েছিল ৮জন মুক্তিযোদ্ধা। সে সময় ভারত থেকে নিজ দল নিয়ে বোয়ালমারী হয়ে মাদারিপুর যাচ্ছিল নৌপরিবহন মুন্ত্রী শাজাহান খান। তাকে ভুল তথ্য দেওয়া হলে মুক্তিযোদ্ধাদের দুটি দল মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। জলিল বিশ্বাস, রিজাউলসহ সে যুদ্ধে শহীদ হন ৪ জন।

শহীদ রিজাউলের কবর দেখতে গিয়েছিলাম, গিয়েছিলাম যেখানে সে শহীদ হয়েছে সেই বাড়ীতেও। মুক্তিযুদ্ধের নানা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছি তবে আমার নিকট সবচেয়ে মূল্যবান এই চিঠিটি।

রিজাউলদের স্বপ্নের মৃত্যু নেই। সে লিখেছিল-
‘বাংলার জয় অবশ্যম্ভাবী, বাংলার জয় হবেই। জয় বাংলা।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!