1. khan261278@gmail.com : Oitijjho Bangla : Oitijjho Bangla
  2. oitijjhobangla24@gmail.com : Editor Panel : Editor Panel
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার স্মরণে মতুয়া সম্প্রদায়ের মহাসমাবেশ ও প্রার্থনা সভা বোয়ালমারীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা ফরিদপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুর রহমান দোলনের মনোনয়নপত্র জমা ফরিদপুর-১ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন ১৫ প্রার্থী  শীতবস্ত্র হাতে শীতার্ত মানুষের পাশে বোয়ালমারীর ইউএনও বোয়ালমারীতে মাদকদ্রব্যসহ ৭ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ফরিদপুর-১ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি শারাফাত হোসাইনের মনোনয়নপত্র জমা বোয়ালমারীতে পৃথক দুটি অভিযানে ২হাজার ২৩৫পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী বড়দিনের উৎসব নেই, আনন্দ নেই রাজলক্ষ্মীর ঘরে বোয়ালমারীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন

বোয়ালমারীতে নৌকার পরাজয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগকে দুষলেন পরাজিত পাঁচ প্রার্থী

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৪১৯ জন পঠিত

বোয়ালমারী প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ৪র্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় নেতাকর্মীদের নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় পরাজয়ের কারণ বলে সংবাদ সম্মেলনে জানালেন পরাজিত পাঁচ প্রার্থী।

বুধবার দুপুর ২টায় বোয়ালমারী ওয়াপদা মোড়ে অবস্থিত হারুন শপিং কমপ্লেক্সের হল রুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পরাজিত পাঁচ প্রার্থী হলেন, চতুল ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী এবং ইউনিয়ন আ’লীগের সহসভাপতি খন্দকার মো. আবুল বাশার, রূপাপাত ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী এবং জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি মো. মাহব্বত আলী, ময়না ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত প্রার্থী এবং জেলা মৎস্য লীগের সদস্য পলাশ বিশ্বাস, দাদপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী এবং ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শেখ সাজ্জাদুর রহমান হাই, বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী এবং ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আ. ওহাব মোল্যা তারা।

সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে, নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের আশানুরুপ সহযোগিতা করেনি। এমনকি তাদের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটির ভোট পর্যন্ত পাননি বলে অভিযোগ করেন কেউ কেউ।

বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত প্রার্থী এবং ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আ. ওহাব মোল্যা তারা বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রার্থী ছিলেন বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল হক শেখ। বারবার বলার পরেও উপজেলা আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতা আব্দুল হককে বসানোর জন্য কোনো চেষ্টাই করেননি ও আমাকে নির্বাচনে কোনো সার্বিক সহযোগিতা করেনি।

চতুল ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী খন্দকার আবুল বাশার জানান, প্রত্যেটি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কমিটি রয়েছে যার সদস্য সংখ্যা ৫১ জন। অথচ একাধিক ওয়ার্ডে নৌকার ভোট দুই অঙ্ক স্পর্শ করেনি। নৌকার পরাজয়ের পেছনে দলীয় নেতৃবৃন্দই দায়ী বলে তিনি অভিযোগ করেন। চতুল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আমি পাঁচ ভোট পেয়েছি। অথচ ওই কেন্দ্রের পাশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি। আর ওই কেন্দ্রে ভোট দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান, উপজেলা আ’লীগের সদস্য মো. জালাল সিকদারসহ কোনো ওয়ার্ডের নেতাকর্মীই নৌকার পক্ষে ভোট চায়নি। তারা বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের চশমা প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন।

রূপাপাত ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী এবং জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি মো. মাহব্বত আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের সভাপতি মো. কোবাদ হোসেন মোল্যা নিজে আমার পক্ষে কাজ না করে পাশের ইউনিয়নের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকতেন। আর তার ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম আমার প্রতিদ্বন্দ্বী এবং রূপাপাত ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু মোল্যার ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান সোনার পক্ষে কাজ করেছেন।

ময়না ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত প্রার্থী এবং জেলা মৎস্য লীগের সদস্য পলাশ বিশ্বাস বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির মো. সেলিম, সদস্য আবুল খায়ের এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সিদ্দিকী আমাকে কখনোই নির্বাচনে সহযোগিতা করেননি। জাফর সিদ্দিকীকে বারবার বলার পরেও তিনি দলীয় কোন লোক আমার নির্বাচনী প্রচারাভিযানে দিতে পারবেন না বলে জানান। সেলিম এবং জাফর চাচা-ভাতিজা মিলে প্রতিপক্ষ হাতপাখার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন।

দাদপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত প্রার্থী এবং ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শেখ সাজ্জাদুর রহমান হাই বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম বিদ্রোহী প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের পক্ষে কাজ করেছেন। ডা. জলিল, দাদপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ আ’লীগের পদধারী কোন নেতাই নৌকার পক্ষে কাজ না করে বিদ্রোহীর পক্ষে কাজ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পরাজিত প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মৌন সমর্থন দিয়ে গেছে। যার প্রভাবে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীর নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। আমরা এ বিষয়গুলো জানিয়ে দলের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করবো।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এমএম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া বলেন, পরাজিত প্রার্থীদের আনিত অভিযোগ ভিত্তিহীন।  দলের পক্ষে ১০টি ইউনিয়নে আমার সর্বশক্তি ব্যয় করে কাজ করে গেছি। পরাজিত প্রার্থীরা নিজেদের ব্যার্থতা ঢাকতে এ ধরনে অভিযোগ এনেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025
Development by : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!